এর আগে, বুধবার রাতে তাদের বহনকারী ২৭টি বাস চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গার বিএএফ জহুরুল হক ঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। বিএএফ জহুরুল হক ঘাঁটিতে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্পে রাতের খাবার থেকে শুরু করে রাত্রিযাপনসহ সব ব্যবস্থা করা হয় তাদের জন্য।
এর আগে, ১২ দফায় কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরগুলো থেকে ২৪ হাজার ৫৭৮ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়। বুধবার ত্রয়োদশ দফার প্রথম ধাপে যান এক হাজার ৯৯৯ জন। এবার দ্বিতীয় ধাপ মিলে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৩৮৬ জনে।
.png)
২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রথম রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে গত বছরের ৯ অক্টোবর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সহায়তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সম্মতি প্রকাশ করে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, ২০২০ সালে কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরগুলো থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থানান্তর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে বাসস্থানসহ অবকাঠামোগত সব ধরনের সুযোগ-সুবিধার নির্মাণ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সরকার।