রুজিনার স্বামী জেলা আনসারের হিসাবরক্ষক গোলাম মোস্তফা রাঙা জানান, ২০১৩ সালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বাঙ্গালপাড়ার ইয়াকুব আলী খন্দকারের মেয়ে রুজিনা খাতুনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। কিন্তু আমার স্ত্রীর গাইনি সমস্যা থাকায় পাঁচ বছর পর্যন্ত কোনো সন্তান হয়নি। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে পাঁচ বছর পর একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।
তিনি আরো জানান, চার বছর পর রুজিনা আবারো অন্তঃসত্ত্বা হলে আলট্রাসনোগ্রাম করে জানা যায় তার গর্ভে তিনটি সন্তান রয়েছে। এতে রুজিনা ভীত হয়ে যান ও নিয়মিত চেকআপ করে দুটি ছেলে সন্তানের তথ্য জানা যায়। অপর সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে তা জানা যায়নি। কিন্তু বুধবার সিজারের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। দেড় মাস আগে সিজার করায় শিশুদের এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে। তবে তিন সন্তান ও মা ভালো আছেন।
.png)