ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

প্রদীপের দুর্নীতি: সাক্ষ্য দিলেন আরো চারজন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:০১, ২৭ এপ্রিল ২০২২
প্রদীপের দুর্নীতি: সাক্ষ্য দিলেন আরো চারজন
প্রদীপ কুমার দাশ- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আরো চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে আদালত।

বুধবার সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। এ সময় প্রদীপ কুমার দাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১১ মে সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেছে আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদুল হক বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে গৃহায়ণ ও গণপূর্তের আরো চার প্রকৌশলী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ১১ মে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছে আদালত।

Advertisement

প্রদীপ কুমার দাশের আইনজীবী রতন চক্রবর্তী বলেন, প্রদীপের বিরুদ্ধে নতুন করে আরো চারজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামিপক্ষ থেকে তাদের জেরা করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১৯ এপ্রিল গৃহায়ণ ও গণপূর্তের অন্য চার প্রকৌশলী প্রদীপের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দেন। এ সময় তারা প্রদীপের পাঁচলাইশ থানার ষোলশহরের সেমিপাকা ঘরগুলো পরিমাপের প্রতিবেদন দাখিল করেন।

৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে প্রদীপের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম দিনে তিনজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট মামলাটি করেন দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন। গত বছরের ২৬ জুলাই রিয়াজ উদ্দিন এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

পরে ২০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার এজাহারে উল্লিখিত সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেয় আদালত।

এদিকে, দেড় বছরের বেশি সময় ধরে প্রদীপ কারাগারে থাকলেও দুদকের মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে পলাতক রয়েছেন তার স্ত্রী চুমকি। মূলত প্রদীপ গ্রেফতারের পর থেকেই তার সন্ধান মেলেনি। চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা এলাকায় নিজেদের গড়ে তোলা ‘লক্ষ্মী কুঞ্জ’ নামে বাড়িটিতে সন্তান নিয়ে থাকতেন তিনি। প্রদীপ গ্রেফতারের পর থেকেই বাড়িটিতে থাকছেন না তিনি। তবে কোথায় থাকেন জানেন না কেউ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!