যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি বিএম আলমগীর হোসেন বলেন, ঐ চক্রটি গ্রামাঞ্চলে বিত্তশালীদের বিয়েযোগ্য মেয়েদের খুঁজে বের করতো। এরপর তাদের মোবাইল ফোনে ম্যানেজ করে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক করতেন মিজানুর গাজী। মোবাইল ফোনে সম্পর্ক তৈরি করে ‘বিপদে পড়েছেন’, বলে যার কাছ থেকে যা পারতেন টাকা হাতিয়ে নিতেন। প্রতারণার এসব কাজে সহযোগিতা করতেন কালু ঘটক ও মকবুল।
কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, চক্রটি এ পর্যন্ত ২৪-২৫টি পরিবারের কাছ থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সর্বশেষ সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রাম থেকে এক পরিবারের কাছ একই কায়দায় টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পেয়ে তাদের আটক করা হয়।
.png)