বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল হক।
তিনি জানান, উপজেলার দিঘলকান্দী ইউনিয়নের বাদেরপারশী গ্রামের লেবু মিয়ার মেয়ে আছিয়া বেগম। পার্শ্ববর্তী গোপালপুর উপজেলার দিঘলআটা গ্রামের মিল্টন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। মারিয়া জন্মের পর বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শীতে আগুন পোহানোর সময় আগুনে পুড়ে মারা যায় আছিয়া বেগম। মা আছিয়া বেগম মারা যাবার পর নানা-নানীই দেড় বছরের শিশু মারিয়া আক্তারকে লালন পালন করত।
.png)
বুধবার সকালে শিশুটি বাড়ির উঠানেই খেলাধুলা করছিল। এক পর্যায়ে বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজে পাচ্ছিল না। এ বিষয়ে শিশুটির নানা থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবায় শিশুর ভাসমান মরদেহ দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। পরে স্থানীয়রা ডোবা থেকে ওই শিশু মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
শিশুর নানা লেবু মিয়া বলেন, মারিয়ার বয়স যখন ৫ মাস, তখন তার মা আমার বাড়িতে অবস্থানকালেই আগুন পোহাতে গিয়ে আগুনে পুড়ে মারা যায়। মা মারা যাওয়ায় এক বছর যেতে না যেতেই মেয়েটা পানিতে ডুবে মারা গেল। এ ঘটনায় মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।