ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

প্রদীপ-চুমকির অবৈধ সম্পদ: শেষ হলো সাক্ষ্যগ্রহণ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:২২, ২৯ মে ২০২২
প্রদীপ-চুমকির অবৈধ সম্পদ: শেষ হলো সাক্ষ্যগ্রহণ
ফাইল ছবি

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। এ সময় প্রদীপ ও চুমকি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে আদালতে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। গত ২৩ মে একজন সাক্ষীর আসামি পক্ষের জেরা বাকি ছিল। রোববার সেই জেরা সম্পন্ন হয়েছে। এটির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দুদকের ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ।

Advertisement

স্বামী প্রদীপ কুমার দাশ মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বয়ে বেড়ালেও তার অবৈধ সম্পদের অংশীদার চুমকি দীর্ঘদিন ধরেই ছিলেন লাপাত্তা। সন্তানদের নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা এলাকায় ‘লক্ষ্মীকুঞ্জ’ নামে ছয়তলা বাড়িটিতে থাকতেন চুমকি। কিন্তু ২০২০ সালে সিনহা হত্যাকাণ্ডে প্রদীপ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান তিনি।

এভাবে দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পর ২৩ মে দুপুরে দুদকের মামলায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন চুমকি। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদক কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন। পরে গত বছরের ২৬ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে তাদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

একই বছরের ১ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্রের ওপর শুনানি হয়। ২০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার এজাহারে উল্লিখিত সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেয় আদালত। ১৫ ডিসেম্বর এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়।

এর আগে, প্রদীপের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠায় ২০১৮ সালের জুন মাসে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রদীপ ও চুমকির নামে অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্যও পান দুদক কর্মকর্তারা। এরপর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য বলা হলে একই বছরের মে মাসে দুদকে বিবরণী জমা দেন তারা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!