রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. কনক।
তিনি জানান, সন্ধ্যা ৬টার পর ওই দুজনকে শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা। শনাক্ত হওয়া দুজন হলেন, বরগুনা জেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের চরগাছিয়া গ্রামের ইমরান ও মঠবাড়িয়া উপজেলার টিয়াখালী দুর্গাপুর গ্রামের রিপন খান।
.png)
আরো পড়ুন >>> গাছের সঙ্গে বেপরোয়া বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ১১
রোববার (২৯ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার বামরাইলে যমুনা লাইন পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা দেয়। এতে ১০ জন নিহত হন।
পরিচয় শনাক্তের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আটজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, দুর্ঘটনার এত সময় অতিবাহিত হলেও বাসচালকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার সম্পর্কে কোনো কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ বেলাল হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত বাসের মালিকপক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেননি। বাসের চালক বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন- সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আমরা বাসচালককে শনাক্ত করতে চেষ্টা করছি।
আরো পড়ুন >>> ‘গাড়ির গতি ছিল বেপরোয়া, ঘুমিয়ে ছিলেন চালক’
তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয়রা আমাদের কাছে বলেছেন, চালক আহত অবস্থায় পালিয়েছেন। তথ্য সত্য কি না সেটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আর্শাদ বলেন, দুর্ঘটনায় উজিরপুর থানায় পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে।
আরো পড়ুন >>> দুর্ঘটনায় নিহতদের দাফনে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা
এর আগে পরিচয় শনাক্ত হওয়া আটজন হলেন, আরাফাত হোসেন হাওলাদার (৯), নজরুল ইসলাম আকন (৩৫), আনোয়ারা বেগম (২০), হালিম মিয়া (৩১), সেন্টু মোল্লা (৫০), মাধব শীল (৪৫), রেজা চোকদার (২৩) ও রমজান হাওলাদার (৩৮)।
১০ জন নিহতের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। নিহতদের দাফনে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।