ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

লক্ষ্মীপুরে জাল নোট ও ইয়াবা রাখার দায়ে দুজনের কারাদণ্ড 

লক্ষ্মীপুর  প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৩২, ৩০ মে ২০২২
লক্ষ্মীপুরে জাল নোট ও ইয়াবা রাখার দায়ে দুজনের কারাদণ্ড 
লক্ষ্মীপুরে জাল নোট ও ইয়াবা রাখার দায়ে দুজনের কারাদণ্ড  ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জাল নোট রাখার দায়ে হুমায়ুন কবির নামে একজনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ইয়াবা রাখার দায়ে জেলাশহরের টাইগার সুমনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম পৃথক এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত হুমায়ুন কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চর কাদিরা গ্রামের মৃত ছৈয়দ আহম্মদের ছেলে ও মাদক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সুমন পৌর শহরের সমসেরাবাদ এলাকার শাহ আলম নান্টু মিয়ার ছেলে।

আরো পড়ুন >>> এক এক করে পানিতে তলিয়ে গেল ৩ শিশু, গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া

Advertisement

জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ জুলাই রাতে হুমায়ুন চরকাদিরা ইউনিয়নের ফজুমিয়ার হাটে একটি ফার্মেসিতে জাল টাকা নিয়ে বসে ছিল। বিষয়টি থানার ডিউটি অফিসার থেকে জানতে পেরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে। পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে হুমায়ুনের পাঞ্জাবির পকেট থেকে ১ হাজার টাকার ৩টি, ৫০০ টাকার ১টি নোট উদ্ধার করা হয়। এর আগে ফার্মেসির দোকান থেকে ওষুধ কেনার সময় ২০০০ টাকা দেয় হুমায়ুন। দোকানিকে দেয়া দুটি ১ হাজার টাকার নোটও জাল ছিল। ওই নোটগুলোও পুলিশ উদ্ধার করে।

আরো পড়ুন >>> যশোরে এক রাতে দুই খুন 

ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন স্বীকার করেন, দীর্ঘদিন ধরেই জাল টাকা নিজের কাছে রেখে পণ্য ক্রয় করে কৌশলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। এ ঘটনায় পরদিন আমির হোসেন বাদী হয়ে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম একই বছর ১৩ সেপ্টেম্বর হুমায়ুনের বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

আরো পড়ুন >>> ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে বারবার ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়া সেই প্রভাষকের ফাঁসির দাবি

অপরদিকে ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর রাতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের সময় সদর উপজেলার টুমচর বাজার থেকে আনোয়ারকে আটক করে জেলা ডিবি পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে পলিথিনে মোড়ানো ৫২ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওইদিনই ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই এহতেশামুল হক ৯ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আনোয়ারকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বলেন, জাল টাকা রাখার দায়ে হুমায়ুনকে ও ইয়াবা রাখার দায়ে আনোয়ারকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!