ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মা-মেয়ের অনশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০০:২৭, ৫ জুন ২০২২
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মা-মেয়ের অনশন
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছিল এক তরুণী। বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন প্রেমিককে। ১২ ঘণ্টার সে অনশন কোনো কাজে আসেনি, হয়েছেন ব্যর্থ। তবে এবার মাকে নিয়ে একই দাবিতে অনশন করছেন সেই তরুণী। মাগুরা সদর উপজলার মঘী ইউনিয়নের আড়য়াকাদি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, গত ২৩ মে এই তরুণী প্রেমিকের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করেছিলেন। তখন প্রেমিকের প্রতিবেশীদের পরামর্শে তিনি অভিভাবকের সঙ্গে বাড়ি চলে যান। 

কিন্তু কথা রাখেননি প্রেমিক ও তার পরিবার। বিয়ে করতে টালবাহানা করায় গত শুক্রবার বিকেলে ঢাকা থেকে মাকে নিয়ে আবারও প্রেমিকের বাড়িতে আবারো অনশন শুরু করেছেন তিনি।

Advertisement

শনিবার (৪ জুন) সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত মা-মেয়ের অনশন চলছিল বলে জানা গেছে। এদিকে, অবস্থা বেগতিক দেখে প্রেমিক তাজনুর পরিবার বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। 

গত শুক্রবার রাতে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিবেশীরা প্রেমিক তাজনুর বাড়ি ঘিরে ভিড় করছেন। বিয়ের দাবি করা তরুণী তার মাকে নিয়ে প্রেমিক তাজনুর বাড়ির উঠানে চেয়ারে বসে আছেন। তাদের ঘিরে তৈরি হয়েছে জটলা। তবে প্রেমিক তাজনুর বাড়ির কাউকে পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে তরুণীর মা বলেন, আমি ঢাকায় গার্মেন্টসে সামান্য বেতনে চাকরি করি। মেয়ের বাবার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে অনেক আগে। তার বাবা অন্য নারীকে বিয়ে করেছে। তারপর থেকেই আমি তার বাবা ও মা দুটোই। এ ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে বলে আমি জানি। আমার মেয়েকে ছেলে বিয়ে করতে চায়, কিন্তু তার পরিবার রাজি না।

তিনি আরো বলেন, এর আগে আমার মেয়ে একা এসেছিল বিয়ের দাবিতে। এখন আমিও এসেছি। তারা তখন কথা দিয়েছিল অভিভাবক আনলে বিয়ে দেবে। তাই ছুটি নিয়ে মেয়ের সঙ্গে এখানে এসেছি। মেয়ের বিয়ে না দিয়ে আমি এখান থেকে যাব না।

ওই তরুণী বলেন, ছেলে রাজি আছে বিয়ে করতে। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু তার বাবা-মা কেউ রাজি না। তারা আমাকে পছন্দ করে না।

ছেলের চাচা বাবুল হাসান অভিযাগ করেন, ঘটনাটি লজ্জার। আমরা খুব বিপদে পড়েছি।

মঘী ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তারাব আলী বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আমাকে যদি ডাকে, তাহলে আমি সেখানে যাব।

মাগুরা সদর থানা পুলিশের ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযাগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!