আগুন কিছুটা নিভে আসার পর পুনরায় কনটেইনার ডিপোর ভেতরে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এ কারণে রাত ৯টার পর থেকে এখনও আগুন নেভাতে কাজ করে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
একটানা কাজ করতে গিয়ে পানির সংকটেও ভুগতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে। এই অবস্থায় চট্টগ্রামের আশপাশের জেলা ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আনা হয়। আগুন নেভাতে গিয়ে রাত ১১টার দিকে বিস্ফোরণে সমগ্র এলাকা কেঁপে ওঠে।
.png)
ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে। বারবার বিস্ফোরণের কারণে আগুন নেভাতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমাদের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে। পানির পাশাপাশি কেমিক্যালের আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য যা করা দরকার তাও করা হচ্ছে। আর ঢাকা থেকে আমাদের বিশেষ টিম আসছে।
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের ২৫ ইউনিট কাজ করছে বলে জানা গেছে।
ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের সাতজন কর্মীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। এই বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন চার শতাধিক মানুষ। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রয়েছেন।