নিহত আলাউদ্দিন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউপির বানসা গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদের ছেলে।
আলা উদ্দিনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সন্তান হারিয়ে নির্বাক হয়ে আছেন বয়োবৃদ্ধ বাবা আবদুর রশিদ আর মা মমতাজ বেগম ‘আমার বাপে কই গেলো। তারে আমার কাছে আইনা দেন। সে কোনো দিন কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে নাই। আমার পোলারে আইনা দেন’
.png)
এমন বিলাপে ভারি হয়ে উঠছে বাড়ির পরিবেশ। স্বজন ও এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছেন না এমন মৃত্যুর সংবাদ।
বড় ভাই জহির উদ্দিন বলেন, আমরা ৬ ভাই ও ৪ বোন। আলা উদ্দিন আমার ছোট, আর ভাইদের মধ্যে পঞ্চম। প্রায় ১৫ বছর আগে সে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগ দেয়। সর্বশেষ সীতাকুন্ডের কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে কর্মরত ছিলো। সে প্রথম ইউনিটের সদস্য হিসেবে আগুন নেভাতে কাজ করেছে। এরপর বিস্ফোরণের সময় থেকে নিখোঁজ ছিল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার নিহতের খবর এসেছে। তার স্ত্রী তাসলিমা সুলতানা ও ৬ বছরের একটা ছেলে আছে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুন্ডে ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনা ঘটে।