ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২২ কোটি টাকার কাঁঠাল বিক্রির আশা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৪৩, ৭ জুন ২০২২
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২২ কোটি টাকার কাঁঠাল বিক্রির আশা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী লাল মাটির পাহাড়ি এলাকায় কাঁঠালের বাম্পার ফলন- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় পাহাড়ি টিলা ভূমি সমৃদ্ধ লাল মাটিতে এ বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে। এ বছর ২২ কোটি টাকার কাঁঠাল বিক্রি হবে বলে আশা কৃষি বিভাগ ও কৃষক-ব্যবসায়ীদের।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ও কৃষকরা বাগানের সঠিক পরিচর্চা করায় এই বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে ভালো দাম পেয়ে খুশি বাগান মালিকরা। অন্যদিকে, কাঁঠালের দাম হাতের নাগালে থাকায় স্বস্থিতে ক্রেতারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব এবং দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্তবর্তী লাল পাহাড়ি মাটিতে কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণপুর, কালাছড়া, ছতুড়রপুর, পাহাড়পুর, মেরাসানি, আউলিয়া বাজার, চম্পকনগর, সিঙ্গারবিল, কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর, বায়েক, মন্দবাগ, কায়েমপুর এবং আখাউড়া উপজেলার আজমপুর, আমুদাবাদ, রাজাপুর ও আদমপুরের বাগানগুলোতে গাছে ঝুলছে ছোট-বড় কাঁঠাল। রোগমুক্ত হওয়ায় পরিপক্ষ অবস্থায় বাগান থেকে কাঁঠাল সরাসরি বাজারজাত করা হচ্ছে।

Advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী লাল মাটির পাহাড়ি এলাকায় কাঁঠালের বাম্পার ফলন- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কৃষক-বাগান মালিকরা জানান, প্রতি ১০০টি কাঁঠাল ৮০০০-১০০০০ টাকা দরে বাগান থেকেই বিক্রি হচ্ছে। এতে ভালো লাভ হচ্ছে।

বাগান মালিক আবুল হাসান বলেন, প্রতিদিনই ১০০-২০০ কাঁঠাল কাটা হচ্ছে। কাঁঠাল নিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা আসেন।

আল-আমিন নামে আরেক বাগান মালিক বলেন, মাস দেড়েক আগে কাঁঠাল বেচাকেনা শুরু হয়েছে। চলবে আরো তিন মাস।

ক্রেতারা জানান, লাল পাহাড়ি মাটির কাঁঠালের জুড়ি নেই। দামও হাতের নাগালে আছে। বিক্রেতারা জানান, চাহিদা থাকায় বিক্রিও হচ্ছে ভালো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক সুশান্ত সাহা জানান, এ অঞ্চলে প্রতিবছর কাঁঠালের আবাদ বাড়ছে। মাটির গুণাগুণ ভাল হওয়ায় চলতি বছর জেলায় ৮৫০ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের আবাদ করা হয়েছে। এ বছর কাঁঠালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া বাজারে কাঁঠালের চাহিদাও বেশি। এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্তত ২২ কোটি টাকার কাঁঠাল বিক্রি করা সম্ভব হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!