মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শরমিন জাহান এ রায় দেন।
এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
.png)
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আপন একই থানার ফরহাদাবাদ এলাকার মালি বাড়ির উমেশ চন্দ্র মালির ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১১ মার্চ বড় ভাইকে খাবার পৌঁছে দিতে কাটিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী। বিদ্যালয়ের সুইপার আপন চন্দ্র মালি ঐ ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে চিৎকার শুরু করেন। এ সময় ঐ ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালের সঙ্গে ধাক্কা দিলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আপন চন্দ্র তাকে বিদ্যালয় ভবনের নিচে সেফটি ট্যাংকিতে ফেলে দেয়। পরে সেফটি ট্যাংক থেকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।
এ ঘটনা ঐ ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। একই বছরের ২৬ জুলাই মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা হাটহাজারী থানার এসআই মো. তানজির হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. রাশেদুল আলম রাশেদ বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টায় সাতজনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আপন চন্দ্র মালি নামে এক সুইপারকে পৃথক ধারায় ২০ বছর কারাদণ্ড ও ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪)(খ) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আরো ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।