শনিবার বাদ এশা সিলেটের জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন উপজেলার মসজিদে মাইকিং করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মাইকিং করা বলা হয়েছে- ভয়াবহ বন্যায় লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরো ভায়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই মহাবিপদ থেকে রক্ষা পেতে রোববার বাদ যোহর মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সকল বয়সী মানুষকে অংশ নিতে আহবান জানানো হয়।

.png)
টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গত বুধবার থেকে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার তা ভয়াবহ রূপ নেয়। এ দিন বিকেল থেকে দ্রুত বাড়তে শুরু করে পানি। তলিয়ে যায় সিলেট নগরের বেশির ভাগ এলাকা।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলা। সড়কসহ এই দুই উপজেলার প্রায় পুরোটাই পানিতে তলিয়ে গেছে। সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কও পানির নিচে।
এছাড়াও প্রথম দফা বন্যায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর ভেঙে যাওয়া ডাইক দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকে জেলার জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা পানিতে তলিয়ে গেছে।
ভয়াবহ বন্যায় শুক্রবার বিকেলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শনিবার দুপুরে সিলেট রেলস্টেশনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে সারা দেশের সঙ্গে আকাশ ও রেলপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সিলেট।