শিক্ষক হেনস্তার ঘটনায় গ্রেফতার ৩
নড়াইলে এক শিক্ষকের গলায় জুতার মালা দিয়ে হেনস্তার ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ফেসবুকে কলেজের এক শিক্ষার্থীর বিতর্কিত পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন দিনভর নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও সহিংসতা চলে। ঐ শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলে গুজব রটে। পরে পুলিশ পাহারায় বিকেল ৪টার দিকে অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দাঁড় করিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় একদল ব্যক্তি। এ সময় ঐ শিক্ষক হাত উঁচিয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন।
পরে তাকে তুলে নেয়া হয় পুলিশের গাড়িতে। মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শিক্ষকের এমন হেনস্তা হওয়ার ঘটনায় তৈরি হয় তীব্র ক্ষোভ।
.png)
তবে পুলিশের দাবি, শিক্ষকের গলায় জুতা পরানোর ঘটনা তারা দেখেনি। ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট দেওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তবে ঘটনার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কলেজে সহিংসতা ও শিক্ষককে হেনস্তার ঘটনায় কোনো মামলা বা জড়িতদের চিহ্নিত করার বিষয়ে পুলিশের কোনো তৎপরতা ছিল না। এরই মধ্যে ঐ শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করে কলেজ পরিচালনা কমিটি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনগুলো নজরে আসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গতকাল সোমবার জানান, ঐ শিক্ষককে তার চলতি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ এমন চেষ্টা করলেও মাউশি তাতে অনুমোদন দেবে না।
ঐ ইস্যুতে সমালোচনার মুখে পড়া নড়াইলের প্রশাসনও নড়েচড়ে বসেছে। কলেজে হামলা ও শিক্ষক হেনস্তার ঘটনায় সোমবার দুপুরে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন এসআই ও মির্জাপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ মোরছালিন। দণ্ডবিধির ৩৪, ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩৪১, ৩৩২, ৩৫৩, ৩৫৫, ৪৩৬, ৪২৭, ৫০০ ধারায় করা এ মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৭০ থেকে ১৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরপর রোববার রাতেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নড়াইলের এসপি প্রবীর কুমার রায় এবং সদর থানার ওসি মোহাম্মদ শওকত কবীর।
গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে আছেন কলেজের পাশের মির্জাপুর বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী শাওন খান। লাল গেঞ্জি পরা ৩০ বছর বয়সী শাওনকে জুতার মালা পরানোর ভিডিওতে চিহ্নিত করা গেছে। এ মামলায় গ্রেফতার আরো দুজন হলেন- মির্জাপুর মধ্যপাড়ার মো. মনিরুল ইসলাম এবং মির্জাপুরের সৈয়দ রিমন আলী।
নড়াইলে এক শিক্ষকের গলায় জুতার মালা দিয়ে হেনস্তা করার ঘটনার ৯ দিনের মাথায় এ ব্যাপারে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত তিনজনকে গ্রেফতারের তথ্যও জানিয়েছে পুলিশ।
ফেসবুকে কলেজের এক শিক্ষার্থীর বিতর্কিত পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন দিনভর নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও সহিংসতা চলে। গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। এরপর পুলিশ পাহারায় বিকেল ৪টার দিকে ওই শিক্ষককে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দাঁড় করিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় একদল ব্যক্তি। ওই শিক্ষক হাত উঁচিয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন।
পরে তাকে তুলে নেয়া হয় পুলিশের গাড়িতে। মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শিক্ষকের এমন হেনস্তা হওয়ার ঘটনায় তৈরি হয় তীব্র ক্ষোভ।
তবে পুলিশের দাবি, শিক্ষকের গলায় জুতা পরানোর ঘটনা তারা দেখেনি। ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট দেওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তবে ঘটনার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কলেজে সহিংসতা ও শিক্ষককে হেনস্তার ঘটনায় কোনো মামলা বা জড়িতদের চিহ্নিত করার বিষয়ে পুলিশের কোনো তৎপরতা ছিল না। এরই মধ্যে ওই শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করে কলেজ পরিচালনা কমিটি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনগুলো নজরে আসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গতকাল সোমবার জানান, ওই শিক্ষককে তার চলতি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ এমন চেষ্টা করলেও মাউশি তাতে অনুমোদন দেবে না।
ওই ইস্যুতে সমালোচনার মুখে পড়া নড়াইলের প্রশাসনও নড়েচড়ে বসেছে। কলেজে হামলা ও শিক্ষক হেনস্তার ঘটনায় সোমবার দুপুরে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন এসআই ও মির্জাপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ মোরছালিন। দণ্ডবিধির ৩৪, ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩৪১, ৩৩২, ৩৫৩, ৩৫৫, ৪৩৬, ৪২৭, ৫০০ ধারায় করা এ মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৭০ থেকে ১৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরপর রোববার রাতেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নড়াইলের এসপি প্রবীর কুমার রায় এবং সদর থানার ওসি মোহাম্মদ শওকত কবীর।
গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে আছেন কলেজের পাশের মির্জাপুর বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী শাওন খান। লাল গেঞ্জি পরা ৩০ বছর বয়সী শাওনকে জুতার মালা পরানোর ভিডিওতে চিহ্নিত করা গেছে। এ মামলায় গ্রেফতার আরো দুজন হলেন- মির্জাপুর মধ্যপাড়ার মো. মনিরুল ইসলাম এবং মির্জাপুরের সৈয়দ রিমন আলী।
ঐ শিক্ষকের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে নড়াইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ শওকত কবীর সোমবার বলেন, ঘটনার দিন থেকে ঐ এলাকায় একটি ক্যাম্প খোলা হয়েছে। তারা এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কাজ করছেন। অধ্যক্ষ যে বাড়িতে আছেন, সেই বাড়িতে পুলিশ বসিয়ে রাখা হয়নি। তবে তার আশপাশে নিয়মিত পুলিশ আছে, তিনি আমাদের নলেজে আছেন। এছাড়া ঐ ছাত্রের (ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ছাত্র) বাড়ির আশপাশেও পুলিশ আছে। তাদেরও সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষকের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে নড়াইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ শওকত কবীর সোমবার বলেন, ঘটনার দিন থেকে ঐ এলাকায় একটি ক্যাম্প খোলা হয়েছে। তারা এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কাজ করছেন। অধ্যক্ষ যে বাড়িতে আছেন, সেই বাড়িতে পুলিশ বসিয়ে রাখা হয়নি। তবে তার আশপাশে নিয়মিত পুলিশ আছে, তিনি আমাদের নলেজে আছেন। এছাড়া ঐ ছাত্রের (ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ছাত্র) বাড়ির আশপাশেও পুলিশ আছে। তাদেরও সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।