কোনাবাড়ী থানার ওসি আবু সিদ্দিক প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে কোনাবাড়ীর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে থেকে আব্দুল্লাহ নামের এক যুবককে আটক করেন এসআই লুৎফর রহমান। এ সময় তার কাছ থেকে দুই বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়ার শর্তে দুই লাখ টাকা দাবি করেন তিনি। টাকা না দিলে হেরোইন দিয়ে মামলা দেওয়ারও ভয় দেখান এসআই। একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দিতে রাজি হয় পুলিশ। পরে ওই যুবক মোবাইলে ফোন করে ৪৯ হাজার টাকা দেয় এসআই লুৎফরকে। পরে আব্দুল্লাহকে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসব টাকা লেনদেন করা হয় বাইমাইল গ্লোবাল মার্চেন্ডাইজ কারখানার পাশ থেকে। এ ঘটনার পরেই এসআই লুৎফরকে প্রত্যাহার করা হয়।
এসআই লুৎফর রহমান বলেন, কী কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে সেটি জানি না। এ কথা বলার পরপরই তিনি কল কেটে দেন।
.png)
গত ৩০ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এসআই লুৎফর রহমান দক্ষিণ সালনা এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. রিপনকে আটক করেন। পরে হেরোইন দিয়ে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে ২৭ হাজার টাকা নেন তিনি। এ ঘটনার পরই তাকে কোনাবাড়ী থানায় বদলি করা হয়।