ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৪৯, ৯ জুলাই ২০২২
কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

স্বজনদের নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসেন। রোববার উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) থেকেই দলে দলে পর্যটক কক্সবাজারে আসতে শুরু করেছেন। এবার ঈদে কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

এরই মধ্যে অধিকাংশ হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস-রেস্ট হাউসের ৬০-৮০ শতাংশ  কক্ষ  অগ্রিম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রকৃতিকে ভিন্নভাবে উপভোগ করতে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। সমুদ্র সৈকত ছাড়া কক্সবাজারের অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোও পর্যটকদের বেশ প্রিয়।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার জানান, বৃহস্পতিবার থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক আসতে শুরু করেছেন। ঈদের পরে দেশি পর্যটকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এবার আশানুরূপ পর্যটক সমাগম ঘটবে কক্সবাজারে।

Advertisement

হোটেল মালিক সমিতির নেতা ওমর সুলতান বলেন, আমাদের অতিথি পর্যটকদের সেবায় হোটেল মালিকপক্ষ খুবই সচেতন। সেবার মান ধরে রাখতে কক্সবাজারের পর্যটন সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। পর্যটকদের আগ্রহ বাড়াতে হোটেল কর্তৃপক্ষ ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ঘোষণা করেছে।

হোটেল-মোটেল অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ জানান, ঈদের ছুটি কাটাতে আসা পর্যটকদের শতভাগ সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর। অধিকাংশ হোটেলের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ রুম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, কয়েকদিনের মধ্যেই খালি কক্ষগুলোর বুকিং সম্পন্ন হবে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ভ্রমণে আসা পর্যটক দম্পতি নুরুল কবির ও সামিয়া কবির বলেন, চাকরিতে ছুটি পাওয়া খুবই কঠিন। ঈদে ছুটি পেয়েছি তাই হোটেল বুকিং করে শুক্রবার ভোরে কক্সবাজার চলে এসেছি। ঈদসহ টানা এক সপ্তাহের ছুটি এখানেই কাটাতে চাই।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, প্রতিটি পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজারের অন্যান্য পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় থাকবেন। এছাড়া সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!