শুক্রবার রাত ১০টার দিকে হাউজিং এলাকার বি-ব্লকের অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেনের বাসার দোতলার একটি কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
সবুজ ঢালি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি থানার বানিয়া গ্রামের আব্দুল হাসেম ঢালির ছেলে। তার লাশের পাশে একটি সুইসাইডাল নোট উদ্ধার করা হয়।
.png)
নিহত সবুজের ভাই জসিম ঢালি জানান, স্ত্রী, সন্তান ও ছোট ভাইকে নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা। রাত ৮টার দিকে বাড়ির মালিকের ছেলে ফোন করে জানায় তার বাচ্চারা বাইরেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। খবর পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাসায় এসে দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ছোট ভাইয়ের লাশ রশির সঙ্গে ঝুলতে দেখি।
নিহতের ভাবি লিজা বেগম জানান, আগে তিনি একটা ব্যবসা করতেন। মাথা ব্যথা ও অসুস্থতার জন্য তিনি এখন কিছু করেন না। বছর দেড়েক আগে তার মা মারা যান।
মৃত্যুর আগে লেখা সুইসাইডাল নোটে সবুজ লিখেন, ‘আমি খারাপ তাই চলে গেলাম। সবাই আমাকে মাফ করে দিবেন। আমি জানি না আমার কি হবে। ০১৬০৮০৭০৮৭৫ নম্বরে আমি ওর কাছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পাই। ভাই মাফ করে দিবেন। আমি মায়ের কাছে চলে গেলাম’।
কোতয়ালি থানার এসআই বাশার জানান, ডাইনিং রুমের ফ্যানের হুকের সঙ্গে নাইলনের রশি দিয়ে ঝুলে সবুজ আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ সময় পাশের রুমের ওয়ারড্রপের ওপর রাখা নিহতের মানিব্যাগের মধ্যে ওই সুইসাইডাল নোটটি পাওয়া যায়।