রোববার লাবিব হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নবজাতককে হাসপাতালের প্রসূতি মায়েরা বুকের দুধ পান করাচ্ছেন। এতে বাচ্চাটির বুকের দুধের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। আশা করছি বাচ্চাটি ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে।
.png)
সদর উপজেলার দাপুনিয়ার কানাপাড়ার আলমাসের স্ত্রী নাছিমা বেগম পাঁচদিন আগে কন্যাসন্তান প্রসব করেন।
তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় মা, বাবা ও বোন হারানো শিশুটিকে মা হিসেবে আমার বুকের দুধ দিয়েছি।
লাবিব হাসপাতালের নার্স সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন, শনিবার রাতে এক প্রসূতি তার বুকের দুধ দিয়েছিলেন। আজ তার ছুটি হয়ে গেছে। পরে নাছিমা বেগম নামে আরেক প্রসূতি তিনবার দুধ দিয়েছেন। আজ তারও ছুটি হয়ে যাবে। তবে হাসপাতালে আরো প্রসূতি আছেন। তারা স্বেচ্ছায় ওই শিশুকে বুকের দুধ দেবেন বলেও জানান তিনি।
শনিবার দুপুরের পর উপজেলার রাইমনি গ্রামের ফকির বাড়ির মোস্তাফিজুর রহমান বাবলুর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রত্না বেগম ও মেয়ে সানজিদাকে নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে ত্রিশালে যান। পৌর শহরের খান ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জাহাঙ্গীর আলম ও স্ত্রী রত্না বেগম মারা যান এবং মেয়ে সানজিদা আক্তার গুরুতর আহত হয়। এ সময় ট্রাকচাপায় রত্না বেগমের পেট ফেটে কন্যাশিশুর জন্ম হয়।