রোববার দুপুরে ঘণ্টাব্যাপী নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। বিষয়টি জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিবউদ্দিন আহমেদ।
সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।
.png)
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয় মামুনুল হককে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিবউদ্দিন জানান, সাক্ষ্য প্রদানের জন্য জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সোহাগ রনি ও স্থানীয় দুই বাসিন্দা রতন মিয়া এবং পারভেজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় দুপুর ১টায়।
প্রথমে সোহাগ রনি এবং পরবর্তীতে রতন মিয়া সাক্ষ্য দেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরা চলে। তবে পারভেজের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়নি। এজন্য আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করে।
এ মামলার মোট সাক্ষী ৪৩ জন। এখন পর্যন্ত মামলার বাদী, সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টের অভ্যর্থনা কক্ষের (রিসিপশন) কর্মী মাহবুবুর রহমান ও আনসার সদস্য মো. ইসমাইলসহ ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
আদালতের কার্যক্রম শেষে দুপুর ২টার দিকে পুনরায় পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান।