উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- মহিষবাথান উত্তরপাড়া এলাকার রাজনের মেয়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তিশা, একই এলাকার শাহজামালের মেয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরজু খাতুন, বাবলুর মেয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাকিলা এবং বাদশার মেয়ে হালিমা খাতুন। গ্রেফতার চাঁদনী রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার কোর্ট বুলনপুরের সুরুজ আলীর স্ত্রী।
জানা যায়, ২৬ জুলাই সকালে ওই চার শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। বিকেলে গড়িয়েও বাড়ি না ফেরায় অভিভাবকরা খোঁজ খবর নেয়া শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাদের জানায়, চাঁদনী নামে এক নারীসহ ওই চার শিক্ষার্থীকে নগরীর মহিষবাথান কলোনীর উত্তর পার্শ্বে গেট দিয়ে যেতে দেখেছে।
.png)
পরে চাঁদনীর স্বামীর কাছে গিয়ে জানতে পারে চাঁদনী কাউকে না জানিয়ে প্রায় সময় ঢাকায় যান। এবং ১০-১২ দিন পর আবার ফিরে আসেন। ওই সময় চাঁদনীর মোবাইলে যোগাযোগ করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। অভিভাবকদের ধারণা চাঁদনীসহ তার সহযোগিরা তাদের পাচার এবং যৌন কার্যকলাপের জন্য নিয়ে গেছেন। এক শিক্ষার্থীর বাবার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজপাড়া থানায় একটি মামলা করা হয়।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তার মেয়েকে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজপাড়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার একটি টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার সাভার পূর্ব রাজাসন এলাকা থেকে আসামি চাঁদনীকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে ওই চার শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদনী যৌন কার্যকলাপের জন্য স্কুল শিক্ষার্থীদের পাচারের কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়াও আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।