শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত যুবককে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের আখড়া রোড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মেহেদি হাসান বারহাট্টা উপজেলার নৈহাটি গ্রামের আব্দুল হাশিমের ছেলে।
মোটরসাইকেলটির মালিক রফিকুল ইসলামের বাড়ি বারহাট্টা উপজেলার চাটটা গ্রামে। সুজাত এবং রফিকুল বন্ধু।
.png)
পুলিশ জানায়, রফিকুল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের আখড়া রোডে আনন্দ হোটেলের সামনে মোটরসাইকেল রেখে কাজে যান। দুপুরের দিকে এসে দেখেন মোটরসাইকেল নেই। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সন্ধ্যায় বিষয়টি পুলিশকে জানান। অভিযুক্ত সুজাতও তার সঙ্গে থানায় আসেন অভিযোগ জানাতে। এরপর মোটরসাইকেল খোঁজার চেষ্টা চালায় পুলিশ। আশপাশের সিসি ক্যামেরায় স্পষ্ট কারো চেহারা দেখা না গেলেও মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়া অবস্থায় সুজাতের শার্টের কিছু অংশ দেখা যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি চুরির কথা স্বীকার করে মোটরসাইকেলটির সন্ধান দেন।
মোহনগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আশপাশের দোকানে সিসি ক্যামেরা আছে জেনেই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যুৎ চলে গেলে মোটরসাইকেল নিয়ে পালান সুজাত। পরে মোটরসাইকেল মালিকের সঙ্গে খোঁজাখুঁজি করেন তিনি। থানায় অভিযোগ করার সময়ও রফিকুলের সঙ্গে আসেন সুজাত।
তিনি আরো বলেন, একটি দোকানের সিসি ক্যামেরায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সামান্য একটু দৃশ্য দেখা যায়। এতে চেহারা স্পষ্ট বোঝা না গেলেও সুজাতের শার্টের কিছু অংশ দেখা যায়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. রফিুকল ইসলাম বলেন, শুক্রবার দুপুরে মামলা দিয়ে অভিযুক্ত যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।