এ সময় অন্য একটি মাছ ধরা ট্রলারের সাহায্যে ৪ জেলেকে উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ থাকেন ১১ জেলে। পরে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সুন্দরবন এলাকায় নিখোঁজ জেলে সোহেল মিয়া ও আকসারের সন্ধান মেলে।
এছাড়া ৯ জেলে ফরহাদ, সোহেল, ইয়াসিন, ইয়াকুব, আলকাছ, আমজাদ, শরীফ উদ্দিন, শরীফ, ও জাফেরের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকৃত জেলেদের মহিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এসব জেলেদের সবার বাড়ি নোয়াখালি জেলার হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিপুর ও আলীপুর মৎস্যবন্দর আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা।
.png)
ডুবে যাওয়া এফবি নিশাত ট্রলারে মাঝি শামিম জানান, আবহাওয়া খারাপ থাকায় তীরে ভিড়তে চেয়েছিলেন তারা। পথিমধ্যে পায়রা বন্দরের শেষ বয়ার পূর্ব দক্ষিণ দিকে সমুদ্র মাঝে হঠাৎ প্রবল ঢেউয়ের তোরে তাদের ট্রলারটি মুহূর্তে উল্টে যায়। এ সময় কাছাকাছি অন্য একটি মাছধরা ট্রলারে তাকেসহ ৪ জেলেকে উদ্ধার করে।
তিনি আরো জানান, ঐ ট্রলারটিও ঝড়ের কবলে পড়ে পথ হারিয়ে ওই সমুদ্র এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়া একই সময় একাধিক ট্রলার সাগরে ডুবে গেছে বলে কান্না জুড়ে দেন তিনি।
আলীপুর মৎস্যবন্দর আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, সমুদ্র উত্তালের পাশাপাশি প্রচণ্ড বাতাস থাকায় নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার কার্যক্রম চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।
পায়রা বন্দর কোস্টগার্ডের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার কামাল পিও জানান, বুধবার সকাল থেকে পায়রা বন্দর কোস্টগার্ড নিজামপুর কোস্টগার্ড ঝুঁকি নিয়ে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।