গ্রেফতার শ্যামল চন্দ্র দাস পার্শ্ববর্তী সেনবাগ উপজেলার ৯ নম্বর নবীপুর ইউপির নারায়ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। অপর আসামি আবদুল খালেক ওরফে তোতা মিয়া উপজেলার সিরাজপুর ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাহবুবুল হক মুন্সি বাড়ির মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীল এসপি মো.শহীদুল ইসলাম। এর আগে বুধবার কোম্পানীগঞ্জ ও সেনবাগ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
.png)
এসপি বলেন, ৩১ জানুয়ারি রিকশাচালক বলরাম মজুমদারের অটোরিকশায় উঠে বসুরহাট কলেজ রোড থেকে উপজেলার ৪ নম্বর চরকাঁকড়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহিষের ডগি এলাকায় নিয়ে যায় আসামিরা। এরপর ইউনুছ চৌকিদারের বাড়ির পূর্ব পাশে কৃষি জমিতে নিয়ে বলরামকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আসামিরা।
নিহত বলরাম উপজেলার চর হাজারী ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সনাতন মহাজন বাড়ির লনি গোপালের ছেলে। সে পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন। গত ৩১ জানুয়ারি দুপুরে উপজেলার চরকাঁকড়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন মহিষের ডগি থেকে বলরামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এসপি আরো জানান, আসামি শ্যামল চন্দ্র দাসকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ভিকটিম বলরাম মজুমদারের সঙ্গে ঘটনার ৪-৫ দিন আগে অটোরিকশার ১০ টাকা ভাড়া নিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক ২ জন আসামির সঙ্গে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়াকে কেন্দ্র করে আসামিরা তাকে শ্বার্সরোধ করে হত্যা করে। পরবর্তীতে আসামি আব্দুল খালেক ওরফে তোতা মিয়ার কাছে ২৭ হাজার-টাকায় অটোরিকশা বিক্রয় করা হয়। রিকশা বিক্রয়ের ৫ হাজার টাকা অপর আসামি শ্যামল চন্দ্র দাসকে ভাগ দেওয়া হয়।