শুক্রবার সকালে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের শিমুহা নিহারদী এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত পান্না আক্তার নিকলী উপজেলার ধারিশ্বর গ্রামের আবু বাক্কারের মেয়ে।
পান্না আক্তারের স্বজনরা জানান, দুই মাস আগে শিমুহা গ্রামের আব্দুল হেকিম চৌকিদারের ছেলে মারফত আলী মারুফের সঙ্গে পান্নার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মারুফকে মোটা অঙ্কের যৌতুক দেওয়া হয়। পরে মারুফ আরো এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকার জন্য পান্নাকে মারধর করতেন মারুফ। শুক্রবার সকালে স্বামীর বাড়িতে বসতঘরে পান্নার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার পর মারুফ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
.png)
কটিয়াদী থানার ওসি এসএম শাহাদৎ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।