হাসপাতাল মর্গে সেই শিক্ষিকার লাশ, মৃত্যুর কারণ খুঁজবে মেডিকেল বোর্ড
নাটোরে কলেজের সহকারী অধ্যাপক খায়রুন নাহারের লাশ উদ্ধারের পর সিআইডির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তিন সদস্যর মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে নাটোর সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রবিবার দুপুরে শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত জানাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নাটোর সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. পরিতোষ কুমার জানান, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. শামিউল ইসলাম শান্তকে প্রধান করে তিন সদস্যের মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পুলিশের সুরতহাল রিপোর্ট পাওয়ার পর ময়নাতদন্ত শুরু করা হবে।
.png)
নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহম্মদ মহসীন জানান, রাজশাহী সিআইডির ফরেনসিক টিম দুপুর ১২টার দিকে বলারীপাড়ার ঐ বাড়িতে আসেন। সিআইডির ফরেনসিক টিমের পরিদর্শক অনিমেষ মকুট মনিরের নেতৃত্বে আসা ফরেনসিক টিমের সদস্যরা সুরতহাল প্রতিবেদন করার পাশাপাশি আলামত সংগ্রহ করেন। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে খায়রুন নাহারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর কাজি অফিসে গিয়ে কলেজছাত্র মামুন ও শিক্ষিকা খায়রুন নাহার গোপনে বিয়ে করেন। বিয়ের ছয় মাসেরও বেশি সময় পার হওয়ার পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। এক বছর আগে ফেসবুকে শিক্ষিকা নাহারের সঙ্গে একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের কলেজছাত্র মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে দুইজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।