দুর্ঘটনার ২২দিন পর রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িলো ৬ জনে।
নিহত আরমান শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরনল গ্ৰামের সবুজ মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুরের টেপিরবাড়ি গ্রামের জামান ফ্যাশন কারখানায় প্রায় ২ মাস ধরে পোষক শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।
.png)
নিহতের বড় ভাই মো. মাসুদ মিয়া বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকেই তার ভাইকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। টানা ২২ দিন ধরে তার চিকিৎসা চলে। অবশেষে রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরো বলেন, দুর্ঘটনায় আরমানের মাথায় আঘাত লেগেছিল। মাথায় বড় ধরনের অস্ত্রপাচারও হয়েছে। প্রচুর অর্থ খরচ করতে হয়েছে চিকিৎসা করতে গিয়ে। এজন্য আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে টাকা ধার করতে হয়েছে। তাৎক্ষণিক বরাদ্দের ১০ হাজার টাকাও তারা পাননি। তবে এ বিষয়ে তাদের কোনো অভিযোগ নেই।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আরমান নামের এক শ্রমিকের মৃত্যুর খবর শুনেছি। আমরা তার পরিবারের কাছে দাফন কাফনের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার টাকা হস্তান্তর করবো।
গত ২৪ জুলাই (রোববার) সকালে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের মাইজপাড়া কমলাদিঘী এলাকায় চলন্ত ট্রেন শ্রমিকবহনকারী একটি বাসকে ধাক্কা দেয়। এতে পাঁচ জন নিহত ও কমপক্ষে ১৭ জন আহত হন। নিহত ৩ জন ট্রেনের ইঞ্জিনের সম্মুখভাগে বসা ছিলেন। বাকি ২ জনের একজন রা শ্রমিকবাহী বাসের এক পোষাক শ্রমিক ও বাস চালক।