ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

গার্ডার চাপায় নিহতদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:২৪, ১৬ আগস্ট ২০২২
গার্ডার চাপায় নিহতদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম
নিহতদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

রাজধানীর উত্তরায় গার্ডার চাপা ঘটনায় জামালপুরের ইসলামপুর ও মেলান্দহে নিহত পরিবারে স্বজনদের শোকের মাতম চলছে।

সোমবার বিকেলে উত্তরার জসিমউদ্দীন রোডে র‍্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম’র (বিআরটি) প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডারটি ক্রেন থেকে উল্টে একটি প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে। এ সময় প্রাইভেটকারে থাকা দুই শিশুসহ ৫ যাত্রী নিহত হন। তবে তাদের মরদেহ এখনো গ্রামের বাড়িতে পৌছাঁয়নি। নিহতদের মধ্যে চারজনের বাড়িই জামালপুরে। অপরজন নববধূ রিয়া মনির শ্বশুর রুবেল মিয়ার বাড়ি মেহেরপুরে।

নিহতদের মধ্যে ওই নববধূর মা ফাহিমা বেগমের মরদেহ ইসলামপুর উপজেলার পার্থশী ইউপির ঢেংগারগড় গ্রামে বাবার বাড়িতে দাফনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। অপরদিকে ছোট বোন ঝর্না বেগম, তার ছেলে জাকারিয়া (৩) ও মেয়ে জান্নাত (৬) এর মরদেহ মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউপির আগপয়লা গ্রামে দাফন করা হবে।

Advertisement

জানা যায়, নিহত ফাহিমার মেয়ের বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠান শেষ সবাই বাসায় ফেরার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় প্যারাডাইস টাওয়ারের সামনে বিআরটি প্রকল্পের একটি গার্ডার গাড়ির ওপরে পড়ে। এতে গাড়িতে থাকা ৫ জনের মৃত্যু হয়। বেঁচে যান দু’জন। গার্ডারটি গাড়িটির দুই-তৃতীয়াংশ জায়গার ওপরে পড়ে। বামপাশের দু’জন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও গাড়িচালকের সিটে বসা রুবেল মিয়া, ফাহিমা বেগম ও তার বোন ঝর্ণা বেগম এবং ঝর্ণার দু’সন্তান ঘটনাস্থলে মারা যায়। শুধুমাত্র বেঁচে ছিল ২৬ বছর বয়সী হৃদয় ও ২১ বছর বয়সী তার স্ত্রী রিয়ামনি।

নিহতদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামপুর উপজেলার পাথর্শী ইউপির সাবেক মহিলা সদস্য আমেনা খাতুন বলেন, হৃদয়ের স্ত্রী রিয়ার বাবার বাড়ি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ঢেংগারগড় এলাকায়। তবে তার পরিবার দুই বছর আগে সাভারের আশুলিয়ায় খেজুর বাগান এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন।

উল্লেখ্য, সোমবার বিকেলে উত্তরা জসীম উদ্দীন এলাকায় আড়ংয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বিয়ের বৌভাত শেষে হৃদয়ের বাবা রুবেল মিয়া প্রাইভেটকার চালিয়ে আশুলিয়া খেজুর বাগান এলাকায় ছেলের শ্বশুড়বাড়ি যাচ্ছিলেন। এ সময় প্রাইভেটকারে ছিলেন হৃদয়, রিয়া, রিয়ার মা ফাহিমা, তার খালা ঝর্ণা এবং ঝর্ণার দুই সন্তান জান্নাত ও জাকারিয়া। পথে উত্তরার জসিমউদ্দিন এলাকায় পৌঁছালে উড়াল সড়কের গার্ডার পড়ে নবদম্পতি হৃদয় ও রিয়া ছাড়া সবাই মারা যান। তবে তারা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!