সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক উজ্বল মিয়া উপজেলার দ্বিমুড়া গ্রামের কুতুব উদ্দিনের ছেলে। পরে তাকে হস্তান্তর করা হয় বাহুবল মডেল থানায়। সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাহুবল মডেল থানার ওসি (তদন্ত) প্রজিৎ কুমার দাস।
তিনি বলেন, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার তিতারকোনা পয়েন্টে তাহির মিয়ার ছেলে আলম মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। হত্যাকাণ্ডে পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়। পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে জানতে পারে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত উজ্বল মিয়া বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এরই প্রেক্ষিতে বিষয়টি অবগত করা হয় বিমানবন্দর থানাকে। সেখানে তাকে আটক করা হয়।
.png)
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ৫ নম্বর লামাতাসী ইউপির দ্বিমুড়া গ্রামের সাবেক মেম্বার কুতুব উদ্দিনের ভাতিজা আলফু মিয়ার কাছে ৭ লক্ষাধিক টাকা পায় নিহত আলম মিয়ার বাবা তাহির মিয়া। এ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কুতুব উদ্দিন ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিলো তাহির মিয়ার। এ বিরোধের জের ধরে গত ঈদুল আজহার আগে কুতুবউদ্দিনের ওপর হামলা ও তাকে কুপিয়ে আহত করে তাহির মিয়ার লোকজন।
এর পর থেকে তাহির মিয়ার বাড়িঘর দখলে নিয়ে যায় কুতুবউদ্দিন ও তার লোকজন। এ ঘটনায় কুতুবউদ্দিন বাদী হয়ে কাজল মিয়া, তাহির মিয়াসহ কয়েকজনকে আসামি করে বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় কাজল মিয়া, জুয়েল মিয়া ও জাহাঙ্গীর মিয়া কারাগারে আটক রয়েছেন। এর মধ্যে নিহত আলম মিয়া ও আকাশ মিয়া জামিনে মুক্তি পায়। রোববার সন্ধ্যায় তিতারকোনা নামক স্থানে আলম মিয়াকে একা পেয়ে উজ্বল মিয়াসহ তার সহযোগীতারা ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।
বাহুবল মডেল থানার (ওসি) রকিবুল ইসলাম খান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও অন্যান্য অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।