কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তায় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। ৩ দিনের অভিযানে দালালদের মূলহোতা মো. আবদুল মালেকসহ ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। এ অভিযানে সাইনবোর্ড ছাড়া শিউলি কটেজে অভিযান চালিয়ে জিম্মিদশা থেকে ৪ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা হয় নির্যাতনের উপকরণও।
জানা গেছে, কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকরা বাস থেকে নামার পরপরই শুরু হয় সিএনজি-অটোরিকশার চালক নামধারী দালাল চক্রের মিশন। ‘মামা হোটেল লাগবে? কম টাকায় ভালো রুম পাবেন।’ এই বলে পর্যটকদের কাছে আসে। তাদের প্রধান টার্গেট নতুন এবং সহজ-সরল পর্যটক। রুম বুকিং করিয়ে হোটেল ম্যানেজারের কাছ থেকে কমিশন নেয় এসব দালাল।
.png)
এছাড়াও অনেকে ভিন্ন ফাঁদ পেতে পর্যটকদের ছিনতাইসহ নারী ও মাদকের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলে পরিবারের কাছ থেকে আদায় করছে মুক্তিপণ। এতে পর্যটন নগরীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে জানান, পর্যটক ও স্থানীয়রা।
কক্সবাজার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, ভোরে যখন শহরের বাসটার্মিনাল ও ডলফিন মোড়ে পর্যটকবাহী বাস আসে, তখন শিকারির মতো অপেক্ষা করে দালালরা। তারা পর্যটকদের মিথ্যা প্রলোভনে ফেলে ভালো রুম দেওয়ার কথা বলে প্রতারিত করে। বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক। এই ক্ষেত্রে প্রশাসনের সর্তকতার পাশাপাশি বিভিন্ন হোটেল-মোটেল ও কটেজের ম্যানেজারদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।