অটোস্ট্যান্ড থেকে তুলে নিয়ে ছেলের গলায় ছুরি ধরে মাকে গণধর্ষণ
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে স্বামীর বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গিয়ে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে শনিবার হরিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আসামিরা হলেন- হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউপির চাপধা হাটপুকুর গ্রামের সলেমান আলীর ছেলে ফজলুর রহমান,চাপধা পিপলা গ্রামের করিমুল ইসলামের ছেলে রিসাত ও চাপধা গুচ্ছগ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে আকাশ। তিনজনকে আটক করা হলেও বাকি দুইজন পালাতক।
জানা গেছে, জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দক্ষিণ পাড়িয়া এলাকার ওই নারী দুই সন্তানের জননী। গত শুক্রবার বিকেলে তিনি হরিপুর উপজেলার রুহিয়া এলাকায় স্বামীর বন্ধুর বাড়ি থেকে রাণীশংকৈলে বোনের বাড়ি যাচ্ছিলেন। উপজেলার কামারপুকুর অটোস্ট্যান্ড থেকে তাকেসহ তার এক সন্তানকে অপহরণ করে উপজেলার বকুয়া ইউপির আনোয়ার মাস্টারের আম বাগানে নেয়া হয়। সেখানে ছেলের গলায় ছুরি ধরে মাকে গণধর্ষণ করা হয়।
.png)
রাত সাড়ে ১২দিকে ধর্ষকরা ঐ নারীকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ধর্ষক ফজলুর রহমানকে আটক করে ৯৯৯ ফোন দেয়। পরে হরিপুর থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষক রিসাত ও আকাশকে আটক করে। পরে তিনি হরিপুর থানায় গিয়ে মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হরিপুর থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ওই ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে তার সন্তান থাকার কারণে সন্তানকে জিম্মি করে ধর্ষণ করা হয়েছে। ৫ জনকে আসামি করে থানায় মাললা দায়ের করা হয়েছে। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি দুইজন পালাতক। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।