জানা যায়, হামলায় গুদারাঘাট, প্রাইমারি স্কুল, বড়ুইবাগের দিকে প্রায় দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকান, ফার্মেসি ভাঙচুর চালায় হামলাকারী। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চালানো হয় সংঘর্ষ। এসময় হামলাকারীদের হাতে নানা ধরনের দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে বলে জানায় স্থানীয়রা। এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি ও ত্রাস কায়েম করতে এবং কিশোর গ্যাংয়ের প্রতি ভীতি সৃষ্টি করতেই এ তাণ্ডব চালানো হয়। এরা সকলেই উঠতি বয়সী এবং বখাটে বলে জানায় স্থানীয়রা।
এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করে তাদের ধরতে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে। ইতোমধ্যে একাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যের নাম নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। তাদের মধ্যে সাঈদ, রাজন, সাবু, তুষার, জুম্মন, বাঘা ও নাজমুল হামলায় অংশ নেয় বলে স্থানীয়রা পুলিশকে নিশ্চিত করেছেন। এলাকায় একাধিক সিসিটিভি ফুটেজেও তাদের ছবি দেখে পুলিশ তাদের শনাক্ত করে। বাকিদের শনাক্ত করতে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তা নিচ্ছে।
.png)
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রিজাউল হক দিপু জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। অনেককে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি হানলাকারীদের শনাক্ত করা হচ্ছে, প্রত্যেককে খুঁজে বের করা হবে।