জানা গেছে, সাইদুল ইসলাম ২০১৩ সালে তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের একুয়া ব্রিডার্স নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্টানে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতে আসেন। কাজের ফাঁকে প্রতিষ্ঠানটির পার্শ্ববর্তী বাড়ির একটি তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তোলে। একপর্যায়ে শালবাহান ইউনিয়নের ডাকবদলী গ্রামের জাহেদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভিনা বেগমের সহযোগিতায় তাদের বাড়িতে ধর্ষণ করে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি আবারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে বারবার ধর্ষণ করে। কিন্তু আটমাস পরও বিয়ে না করলে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে গত ওই বছরের ২৩ আগস্ট তরুণীর বাবা বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় ধর্ষক সাইদুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভিনা বেগমের নামে ধর্ষণ মামলা করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের পিপি আজিজার রহমান আজু জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষে মেডিকেল অফিসার ২২ ধারার জবাবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ আটজন সাক্ষ্য প্রদান করা হয়। তিনি বলেন এ রায় ধর্ষকদের জন্য একটি বার্তা।
.png)