বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচলের কথা থাকলেও যাত্রী না থাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে মাঝিরকান্দির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
তবে বুধবার এই রুটে পরীক্ষামূলক লঞ্চ চালিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। বিকেলে ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে শিমুলিয়া থেকে মাঝিকান্দি ঘাটে ছেড়ে যায় একটি লঞ্চ। সফলভাবে লঞ্চটি মাঝিকান্দি ঘাটে পৌঁছায়।
.png)
বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া ঘাটের বন্দর কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে লঞ্চ চলাচল করা কথা ছিল। কিন্তু যাত্রী না আসায় ঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। সকাল ১০টার পর যাত্রী এলে লঞ্চ চলাচল শুরু করা হতে পারে। তবে দু-একটি স্পিডবোট যাত্রী নিয়ে ঘাট থেকে ছেড়ে গেছে।
অপরদিকে, শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি ঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে লঞ্চ ও স্পিডবোট যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় একটি লঞ্চ ছেড়ে যায় বলে জানান ঘাটের ইজারাদার মোখলেস মাদবর। তিনি বলেন, দুই মাস পর এই রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোর্ট চলাচল শুরু হয়েছে। তবে লঞ্চে মোটামুটি যাত্রী পেয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুন পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর বন্ধ হয়ে যায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল। তবে কিছু স্পিডবোট বিচ্ছিন্নভাবে এই নৌরুটে চলাচল করছিল। এতে বিড়ম্বনায় পড়েন শিমুলিয়া ঘাট থেকে মাদারীপুর-শরীয়তপুর জেলার স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা।