এদিকে স্বামীর মরদেহ কখন ভেসে উঠবে সে অপেক্ষায় নদীর পাড়ে বসে আছেন স্ত্রী মজিরন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চল চকরাজাপুর ইউনিয়নের চৌমাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে থানা পুলিশ এবং শুক্রবার সকালে বাঘা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা জানান, নদীতে এখন অনেক স্রোত। মজাহার হোসেনের মরদেহ কোথায় কখন ভেসে উঠবে সেটা বলা মুশকিল।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, ওই বৃদ্ধকে তারা বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। চোখের নিমিষে নদীর পাড় ভাঙনসহ তার চিৎকার শোনা যায়। এরপর তারাসহ প্রতিবেশী লোকজন নৌকা এবং জাল নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাব।