রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বাজেমসকুর গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম বাবুল ঢাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় আম্বিয়া খাতুন ওরফে লতার। পরে তারা বিয়ে করেন। কিছুদিন ঘর সংসার করার পর বাবুল তার স্ত্রীকে না জানিয়ে গোপনে রংপুরে তার নিজ বাড়িতে চলে আসে।
.png)
এরপর ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই বাবুলের স্ত্রী লতা স্বামীর খোঁজে রংপুরে তার বাসায় এসে দেখতে পায় তার স্বামী বাবুলের প্রথম স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। পরে লতা তার ওই স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করার একদিন পর ২৬ জুলাই লতাকে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে স্বামী বাবুল। খবর পেয়ে পুলিশ লতার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
পরে লতার ভাই মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামি আমিনুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষি সাব্যস্ত করে বিচারক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি নয়নুর রহমান টফি এ জানান, বাদী পক্ষ ন্যায় বিচার পেয়েছে এ রায়ে তারা সন্তুষ্ট।
অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবুল হোসেন জানান, তার মক্কেল ন্যায় বিচার পায়নি এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।