তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভার নাতিরাবাদ গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা করেন। রোববার সকালে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
জানা গেছে, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে রুহুল আমিনের সঙ্গে ওই নারীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্পর্কের সুবাদে রুহুল আমিন তার মামা, আপন ভাই ও চাচাতো ভাইকে পর্তুগাল পাঠানোর কথা বলে জনপ্রতি আট লাখ টাকা চুক্তি করে। ওই টাকা নিতে চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি রুহুল আমিন ওই নারীর রাজবাড়ীর বাড়িতে আসেন এবং জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা করে গ্রহণ করেন। এ সময় ওই নারীকে তিনি কু প্রস্তাব দেন। গত ১৭ জুন রাজবাড়ীর একটি বাড়িতে তাকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ না করতে নানা ভয়ভীতি দেখান। ভুক্তভোগী ওই নারী লোক লজ্জার ভয় এবং মামা-ভাইদের পর্তুগাল পাঠানোর বিষয়টি ভেবে মেনে নেন। তারপর থেকে রুহুল আমিন তাকে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেন।
.png)
শনিবার বিকেলে রুহুল আমিন ওই নারীর বাড়িতে আসেন এবং কেউ না থাকার সুযোগে ধর্ষণ করেন। ওই সময় তিনি চিৎকার করলে স্থানীয়রা এসে হাতে-নাতে তাকে আটক করে। পরে তাকে রাজবাড়ী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
রাজবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সেই সঙ্গে মামলার একমাত্র আসামি রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।