এছাড়া হুমকির মুখে রয়েছে কুস্তা ব্রিজ, ঘিওর-গোলাপনগর সড়ক, রসুলপুর গ্রাম, কুস্তা কবরস্থান, ঘিওর হাটের গরু বিক্রির হাসিল ঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা বসতবাড়িসহ ফসলি জমি।
সরেজমিনে দেখা যায়, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই তাদের শেষ সম্বলটুকু নিয়ে আশ্রয় নিচ্ছেন আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে। ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে অনেকের।
.png)
ঘিওর হাটের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মীর মানিকুজ্জামন জানান, ঘিওরের ঐতিহ্যবাহী গরুর হাটের অধিকাংশ জায়গা এরই মধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। পাঁচটি হাসিল ঘরের তিনটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাকি দুইটি হাসিল ঘর, কবরস্থান, ব্রিজসহ প্রায় ২৫টি বাড়িঘর হুমকির মুখে রয়েছে। যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এসব স্থাপনা ও বসতবাড়ি।
এ হাটের ব্যবসায়ী মো. টিপু মিয়া বলেন, অনেক কষ্টে হাটে ঘর করেছি ব্যবসা করার জন্য। কিন্তু নদীতে যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে তা দেখে বেশ আতঙ্কের মধ্যে আছি। সামনে আর মাত্র একটি দোকানঘর রয়েছে।
ঘিওর পঞ্চ রাস্তার মোড়ের রড-সিমেন্টের ব্যবসায়ী মো. সাগর আহাম্মেদ জানান, ঘিওর হাট একটি ঐতিহ্যবাহী হাট। মানিকগঞ্জ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও মানুষ ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ঘিওর হাটে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন ফসল বেচাকেনা করতে আসেন।
ঘিওরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার হামিদুর রহমান বলেন, ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া হাট রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।