ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বগুড়ায় স্কুলছাত্রসহ ২ জনের লাশ উদ্ধার

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৫৬, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
বগুড়ায় স্কুলছাত্রসহ ২ জনের লাশ উদ্ধার
ফাইল ফটো

বগুড়ার পৃথক ঘটনায় দুই উপজেলা থেকে স্কুলছাত্রসহ দুইজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ১৩ বছর বয়সী মেহেদী হাসান এবং ধুনট উপজেলার ৫০ বছর বয়সী বানচা কর্মকার। মেহদী শিবগঞ্জের নাটমরিচাই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। সে ঐ উপজেলার মোলামগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। আর মৃত বানচা ধুনট উপজেলার বিলকাজুলী গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে নাটমরিচ গ্রামের একটি পরিত্যক্ত পোল্ট্রি ফার্ম থেকে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় মেহেদীকে উদ্ধার করেন স্বজনরা। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Advertisement

শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাসমত উল্লাহ বলেন, মেহেদীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। মুঠোফোনে গেমস খেলাকে নিয়ে ছোট ভাইয়ের ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে মেহেদী। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

এদিকে, ধুনটের পাকুড়িহাটা গ্রামের এক নারীর বাড়ি থেকে বানচা কর্মকারের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সেলিনা বেগম নামের এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা যায়, বানচার সঙ্গে উপজেলার পাকুড়িহাটা গ্রামের সেলিনা বেগম নামের এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। প্রায় এক যুগ ধরে তাদের এ সম্পর্ক। বানচা নিয়মিত সেলিনার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। সোমবার রাতে সেলিনার বাড়িতে যান বানচা। পরে মধ্যরাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে বানচার ছেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বানচাকে হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু এ সময় বমি করতে করতে মারা যান বানচা।

ধুনট থানার ওসি মো. রাজ্জাকুল ইসলাম জানান, সেলিনার সঙ্গে বানচার প্রেম ছিল। সোমবার রাতে সেলিনার সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে যান বানচা। পরবর্তীতে সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, বানচা কর্মকারের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সেলিনাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!