শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক। এর আগে, বৃহস্পতিবার স্বজনদের কাছে এ পা বুঝিয়ে দেয় পুলিশ।
পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক জানান, নিহত আবুল হাশেমের লাশ স্বজনদের কাছে আগেই হস্তান্তর করা হয়েছিল। তবে তার বিচ্ছিন্ন পায়ের হদিস মেলেনি। পরে বিএম কনটেইনার ডিপোতে তল্লাশির সময় একটি বিচ্ছিন্ন পা উদ্ধার করে পুলিশ। তবে সেটি কার তা অজানা ছিল। পরে ওই পা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ফ্রিজে রাখা হয়। ডিএনএ পরীক্ষা শেষে বৃহস্পতিবার পাওয়া রিপোর্টে দুই লাশ ও একটি পায়ের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
.png)
তিনি আরো জানান, ডিএনএ রিপোর্ট অনুযায়ী লাশ দুটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চৌরংগী বাজার এলাকার হেদায়েত উল্লাহর ছেলে ২১ বছর বয়সী মাইন উদ্দিন ও একই জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুরের আবুল কাসেমের ছেলে ৩১ বছরের মো. জুয়েলের।
শনাক্ত হওয়া পা ছিল সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মসজিদ্দা এলাকার মো. ছবিরের ছেলে আবুল হাসেমের। এর আগে, ৭ জুলাই ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্তের মাধ্যমে হাসেমের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছিল পুলিশ।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, চমেক হাসপাতালের ফ্রিজে এখনো বিএম ডিপোতে বিস্ফোরণে নিহত ১১ জনের লাশ রয়েছে। ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ার পর এসব লাশ হস্তান্তর করা হবে।