সন্দ্বীপে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ এর প্রভাব
উপকূলীয় উপজেলা সন্দ্বীপে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সন্ধ্যার পর থেকে দমকা হাওয়া শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ঝড়ো বৃষ্টি।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট খীসা জানান, মনিটরিং টিম সব এলাকায় খোঁজ-খবর নিচ্ছে।
.png)
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়িবাঁধ এলাকার লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে আসা শুরু করেছে। রাত সাড়ে আটটার পর থেকে নদীতে পানির উচ্চতা বাড়া শুরু করেছে।
বাতাসে গাছপালা ভেঙ্গে রাস্তায় পড়ছে। রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তির পরিমাণ বেড়েছে। তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সৌরবিদ্যুতের সোলার প্যানেলের মাধ্যমে লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রাত সোয়া নয়টায় জোয়ারের পানি সারিকাইত ও মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিমে বেড়িবাঁধের সমান পর্যন্ত উঠেছে। সারিকাইত, মাইটভাঙ্গা, মগধরা, মুছাপুর, আজিমপুর ও রহমতপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকার লোকজন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটছে।
রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা নদীকূলের লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনতে কাজ করছেন। পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে।