জিজ্ঞাসাবাদে বিজু শেখ জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে রাব্বি। পরে বিজু শেখকে ৩০ অক্টোবর গ্রেফতার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুকসুদপুর থানার এসআই শামিম উদ্দিন। গ্রেফতারের পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা দুজন মিলে তামিমকে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেন। পরে জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট অনুশ্রী রায়ের আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মুকসুদপুর থানার ওসি মো. আবু বকর মিয়া জানান, গত ৩১ আগস্ট ভোরে মহারাজপুর ইউনিয়নের মধ্য বনগ্রামের লিয়াকত খন্দকারের কলাবাগান থেকে ইকরাম মোল্যার ছেলে তামিম মোল্যার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তামিমের বাবা ইকরাম মোল্যা বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তের স্বার্থে একই গ্রামের শাহাদত মোল্যার ছেলে রাব্বি ম্যোলাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তার জবানবন্দিতে একই এলাকার জামাল শেখের ছেলে বিজু শেখ জড়িত আছে বলে স্বীকার করে।
.png)
বিজু শেখকে গ্রেফতার করলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে জবানবন্দি দেন। পরে আদালতেও হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা জানান, বিরোধের জেরে তাকে তারা দুজনে মিলে হত্যা করেছেন।