বৃহস্পতিবার রত্নার বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে রত্নার চাচা শ্বশুর ও প্ররোচনাকারী ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। লালমোহন থানার ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। খুব শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।
.png)
এদিকে গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস রত্নার বাবা আবুল কাশেম অভিযোগ করে বলেন, মেয়েকে তার চাচা শ্বশুর ও তার পরিবারের সদস্যরা স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল ফোন চুরির মিথ্যা অপবাদ দেয়। এ নিয়ে কয়েকদিন যাবৎ রত্নার ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। তাদের মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে রত্না বিষপান করে। মৃত্যুর পর রত্নার লেখা একটি ডায়েরি উদ্ধার করে রত্নার স্বামী লিটন। যাতে রত্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করে গেছেন। ওই ডায়েরির ১৩টি পাতায় রত্না তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কি ধরণের যন্ত্রণা দেওয়া হয়েছে তাও উল্লেখ করেন। ডায়েরিটি থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
গত রোববার রাতে লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাহাবুব চৌকিদার বাড়িতে গৃহবধু রত্না বিষপান করে আত্মহত্যা করেন। তিনি ওই বাড়ির মো. লিটনের স্ত্রী।