ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত চক্রবর্তী।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-আখাউড়া উপজেলার নুরপুর গ্রামের রানা মিয়া, নারায়ণপুর গ্রামের হিরন মিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের বাদশা মিয়া ও স্বপন মিয়া।
.png)
জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে একটি চক্র রেলের কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে স্টেশনে টিকেট কালোবাজারি করে আসছে। তারা আন্তনগর ট্রেনের ২০০ টাকার টিকিট ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল।
রোববার সকালে রেল পুলিশের সহযোগিতায় স্টেশনে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় টিকেট কাউন্টারের সামনে থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের ৮৫টি আসনের টিকেটসহ ৪ কালোবাজারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ সময় আদালত স্টেশনে টিকেট কালোবাজারি হওয়ায় বুকিং সহকারীদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে সঠিকভাবে টিকেট বিক্রির নির্দেশ দেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। রেলস্টেশনে টিকেট কালোবাজারি বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন খুবই তৎপর রয়েছে। কালোবাজারি বন্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে কোনো মূল্যে এসব বন্ধ করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া রেল থানার ওসি মো. আলীম হোসেন শিকদার।