সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. তহিদুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি মো. জহুরুল আলম তিহান চন্দ্রগঞ্জ ইউপির পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের নূর আলম স্বপনের ছেলে। তিহান নিজ এলাকায় একটি কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে গঠিত ঐ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ স্কুলগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে আসছিল।
জানা যায়, গত শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে চন্দ্রগঞ্জের আফজাল রোডের মোড় থেকে জহুরুল আলম তিহান এবং তার সহপাঠী পাঁচ থেকে ছয়জন মিলে ঐ ছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। অপহৃত ছাত্রী তার মা-বাবাসহ স্থানীয় একটি বহুতল বিশিষ্ট বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। পরে প্রযুক্তির মাধ্যমে র্যাব-১১ এর সহায়তায় পুলিশ সোনাইমুড়ি থানাধীন আমিশাপাড়া এলাকার জনৈক কাউছার মিয়ার পাকা দালান থেকে ঐ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারসহ ঘটনার প্রধান আসামি তিহানকে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে ঐ স্কুলছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
.png)
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. তহিদুল ইসলাম জানান, অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি নিয়ে তার পিতার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।