বগুড়ায় খুনের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন
বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় একজনকে হত্যার দায়ে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ছয়মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে বগুড়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হাবিবা মণ্ডল এ রায় দেন। এ সময় এ মামলার আরো দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) নাছিমুল বারী হলি।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম আসেদ আলী। তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার শিলদহবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। একই গ্রামের নুরুল ইসলামকে হত্যার দায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
.png)
বেকসুর খালাস পাওয়া দুজন হলেন- ইমু বেগম ও আনোয়ারা বেওয়া। এ দুজনও শিলদহবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ইমু বেগম আসেদ আলীর স্ত্রী।
এ মামলার আরেক আসামি ছিলেন আসেদ আলীর বাবা একই গ্রামের মোসলেম উদ্দিন মোল্লা। মামলা চলা অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।
আইনজীবী নাছিমুল বারী হলি বলেন, ২০০৬ সালের ১০ মার্চ দুপুরে জমিতে লাউ গাছের মাচা বসানোর সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্বে নুরুল ইসলামের মাথায় কোদালের পেছনের অংশে আঘাত করেন আসেদ আলী। এতে গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐদিন বিকেলেই তার মৃত্যু হয়। পরদিন মৃতের স্ত্রী মোমেনা খাতুন বাদী হয়ে চারজনকে অভিযুক্ত করে গাবতলী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
তিনি আরো বলেন, আসেদ দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে মামলার দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।