স্থানীয়রা জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে ওই গৃহবধূকে নিজের থাকার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় শাড়ি পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন প্রতিবেশীরা। এ সময় প্রতিবেশীদের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তার ১১ বছর বয়সী মেয়ে নাদিয়া ছুটে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় বটি দিয়ে শাড়ি কেটে তাকে নিচে নামিয়ে আনেন।
জয়গুন ওই গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী রাসেল খানের স্ত্রী। তার দুই সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে নাদিয়া স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ও ছেলে তামিমের বয়স ৭ বছর।
.png)
নিহতের মেয়ে নাদিয়া বলেন, সে ও তার ভাই বিকেলে খেলতে গিয়েছিল। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে ঘরের আড়ার সঙ্গে তার মাকে ঝুলতে দেখে। পরে ঘরে থাকা বটি দিয়ে আড়া থেকে শাড়ি কেটে মাকে নামায় সে।
নিহতের শ্বশুর আব্দুল জব্বার খাঁন বলেন, তিনি পাশের গ্রামে বাড়ি করে বসবাস করছেন। জয়গুন তার বড় ছেলের বউ। জয়গুন খুব শান্তশিষ্ট প্রকৃতির ছিল। তার বড় ছেলে রাসেল প্রায় ৩ মাস হলো সৌদিআরব গেছে। তার ছোট ছেলে রাশেদও সৌদি আরব থাকে।
চরভদ্রাসন থানার ওসি মিন্টু মণ্ডল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্টের পর আসল ঘটনা উদঘাটন করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় চরভদ্রাসন থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়া চলছে।