বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং সৎবাবা মো. রাশেদ ও মা তুলি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।
নিহত শিশু রাশেদা (৯) নতুনবাজার বস্তি এলাকার একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
.png)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে রাশেদার বাবার সঙ্গে তার মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়। পরের বছর তার মা তুলি মো. রাশেদ নামে এক যুবককে বিয়ে করেন। এই দম্পতির ঘরেও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। রাশেদাকে তার মা ও সৎবাবা প্রায়ই মারধর ও নির্যাতন করত বলে স্থানীয়রা জানান। এদিকে শিশুটির মৃত্যুর জন্য তার সৎবাবা মো. রাশেদকে দায়ী করে তার বিচারের দাবিতে বিকেলে এলাকায় বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা।
খুলনা সদর থানার ওসি হাসান আল মামুন জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর সন্দেহের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির বাবা-মাকে আটক করা হয়েছে।