রোববার সকালে মারধর, চাঁদা দাবি ও পর্নোগ্রাফি আইনে সাতজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন তিনি।
ব্যক্তিরা হলেন পৌর এলাকার বটতলাহাট এলাকার মো. সোহাগ, কালীগঞ্জ বাবুপাড়ার মো. আনাস ও জয়নগর মীরপাড়ার মো. সাকিল।
.png)
সদর থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান বলেন, পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১১ ডিসেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে জয়নগর মীরপাড়ার রায়হান আলীর বাড়িতে পাওনা ৩০ হাজার টাকা চাইতে গিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। তখন বাড়ির বাইরে কয়েক যুবক তাকে আটক করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় ওই এলাকার মো. আবু বাক্কারের নেতৃত্বে যুবকেরা কিলঘুষি ও লোহার রড দিয়ে তাকে পেটান। এরপর বিবস্ত্র করে রাস্তা দিয়ে প্রকাশ্যে হাঁটিয়ে নিয়ে যান এবং তার কাছে থাকা সাড়ে ১৪ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। তাকে বটতলাহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়ার পর ওই ব্যবসায়ীর স্বজনেরা এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যান। রাস্তায় হাঁটানোর সময় তাঁরা ভিডিও ধারণ করেন এবং ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা ফেসবুকে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেন।
ওসি আলমগীর জাহান বলেন, লোকলজ্জা ও সন্ত্রাসীদের ভয়ে ওই ব্যবসায়ী তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। ভিডিও ফুটেজটি হাতে পাওয়ার পর পুলিশ গতকাল রাতে তার বাড়িতে গিয়ে নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে আজ তিনি মামলা করেন।
অভিযুক্ত আবু বাক্কার ও মোখলেসুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।