জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে সুমন মিয়া ও আমান উল্লাহ প্রতিবন্ধী নারীকে ভালুকা থেকে মোটরসাইকেলে নান্দাইলের খারুয়া গ্রামে নিয়ে আসে। সেখানে এক জঙ্গলে রাতের বেলায় প্রতিবন্ধীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে দেওয়ানগঞ্জ বাজারের কালি মন্দিরে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রাতে বাজারে ঘুরাফেরা দেখে প্রতিবন্ধী নারীর সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে বর্ণনা দেন। পরে প্রতিবন্ধী নারীর বাবার সঙ্গে কথা বলে দুই সাংবাদিক মেয়েকে উদ্ধার করে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান।
শনিবার বিকেলে ভালুকা থেকে প্রতিবন্ধী নারীর বাবা নান্দাইল মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করতে যান। থানা ফটকেই একটি প্রভাবশালী মহলের হুমকিতে থানায় অভিযোগ না করে বাড়ি ফেরেন। এ ঘটনা এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকে দুই ধর্ষকের ছবিসহ ভাইরাল হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুই যুবক পলাতক রয়েছেন।
.png)
প্রতিবন্ধী নারীর বাবা বলেন, আমি খুবই অসহায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের লোকজনের বাধার মুখে থানায় অভিযোগ করতে পারেনি। থানার সামনে থেকে আমাকে ও আমার মেয়েকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
রোববার দুপুরে সুমন মিয়া ও আমান উল্লাহর বাড়িতে গিয়ে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। বাড়িতে পরিবারে কেউ না থাকায় কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খারুয়া ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আশিকুজ্জামান রিপুল বলেন, প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে বাজারে সবার সামনে জানান। বিষয়টি থানায়ও জানিয়েছি।
খারুয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসনাত ভূঁইয়া মিন্টু বলেন, আমার লোকজন মেয়ের বাবাকে তো আটকানোর কথা না। প্রতিবন্ধী নারী যদি ধর্ষণের শিকার হয় তাহলে অবশ্যই তার বাবা থানায় মামলা করবে।
নান্দাইল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।